মাছের ক্ষত রোগ (ইপিজুটিক আলসারেটিভ সিনড্রোম)

    আক্রান্ত মাছ

    শোল, গজার, টাকি, পুঁটি, বাইম, কৈ, মেনি, মৃগেল, কার্পিও এবং অন্যান্য তলাবাসী মাছ।

    রোগের লক্ষণ ও কারণ

    • • এ্যাফানোমাইসিস ইনভাডেনস নামক ছত্রাক মাছের মাংসপেশী আক্রমণ করে। ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়াও এতে ভূমিকা রাখে।
    • • রোগের আগে পানির গুণাগুণের অবনতি ঘটে, যেমন:
    • • তাপমাত্রা কমে যাওয়া (১৯°সে.-এর নিচে)
    • • পিএইচ কমে যাওয়া (৪-৬)
    • • ক্ষারত্ব কমে যাওয়া (৪৫-৭৪ পিপিএম)
    • • পানির কঠিনতা কমে যাওয়া (৫০-৮০ পিপিএম)
    • • ক্লোরাইডের স্বল্পতা (৩-৬ পিপিএম)

    চিকিৎসা ও ঔষধ প্রয়োগ

    • • প্রতি শতাংশ জলাশয়ে ৭-৮ ফুট গভীরতায় ১ কেজি চুন ও ১ কেজি লবণ প্রয়োগ করলে আক্রান্ত মাছ সাধারণত ২ সপ্তাহের মধ্যে সেরে ওঠে।

    প্রতিরোধ ব্যবস্থা

    • • আশ্বিন-কার্তিক মাসে চুন ও লবণ প্রয়োগ করলে শীতকালে এই রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ করা যায়।